(সেরা ২০) বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানবো বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা (Most profitable business ideas in Bangladesh) কোনগুলো।

আপনি যদি একটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া সম্পর্কে ভাবছেন বা খুঁজছেন তাহলে এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের লাভজনক বিজনেস আইডিয়া গুলো তুলে ধরবো।

আপনি যদি এ বিষয়ে গুগলে সার্চ করে দেখেন তাহলে অনেকগুলো আর্টিকেল পেয়ে যাবেন। কিন্তু আমার business idea নিয়ে এই আর্টিকেলটি অনেক রিসার্চ করে লেখা হয়েছে। আমি বর্তমান সময়ের লাভজনক ব্যবসাগুলোই তুলে ধরেছি।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া কিভাবে পাবেন?

আপনি যদি গুগলে এই বিষয় নিয়ে সার্চ করেন তাহলে প্রচুর ব্যবসা আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

কিন্তু সেই শতাধিক ব্যবসা আইডিয়া গুলো profitable নাও হতে পারে এবং সেগুলোর বিষয়ে ভালোমত রিসার্চ করা হয় না।

তাই আপনি যে ব্যবসাই শুরু করেন না কেন, আপনাকে সঠিকভাবে প্লানিং করে শুরু করতে হবে। তাছাড়া পরবর্তিতে আপনাকে এর কুফল ভোগ করতে হতে পারে।

যথাযথ পরিকল্পনার সাথে কাজ শুরু করা লাগবে। এখন যদি আপনি আমাকে বলেন যে, বর্তমান সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনগুলো তাহলে এই বিষয়ে নিচে আমি আপনাকে অবশ্যই বলবো।

তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বর্তমান সময়ে কোন ব্যবসা বেশি লাভজনক।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি? (সেরা ২০টি ব্যবসা)

তো বন্ধুরা যদি বলা হয় বর্তমানে কোন ব্যবসায় লাভ বেশি তাহলে এর উত্তর হিসেবে শত শত business idea আপনার সামনে রয়েছে।

তাই আমি এগুলোর মধ্যে থেকে বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়াগুলো দিবো যেগুলো সঠিক প্লানিং বা পরিকল্পনা করে শুরু করলে অনেক লাভজনক হিসেবে প্রমাণিত হবে।

তো চলুন জেনে নেওয়া যাক, বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ২০ টি ব্যবসা সম্পর্কে।

20 Most Profitable Business Ideas in Bangladesh

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা
বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি?

আমি যে লিষ্টটি তৈরি করেছি সেটি হলো

  1. E-commerce Business
  2. Fashion House
  3. Open a Small Coffee Shop
  4. Gift Shop
  5. Open a Book Shop
  6. Youtube as a Business
  7. Blogging Business
  8. T-shirt Business
  9. Mobile Repairing / Servicing Business
  10. Computer / Laptop Repairing Business
  11. Cosmetic Shop
  12. Mobile Banking Agent
  13. Digital Marketing Agency
  14. Web Designing Company
  15. Travel Agency

#১. E-commerce Business

আপনি যেহেতু বর্তমান সময়ের সবথেকে লাভজনক ব্যবসা খুজছেন তাহলে E-commerce business আপনার জন্য সেরা হিসেবে প্রমানিত হতে পারে। কেননা বর্তমানে আপনি আমি সবাই অনলাইনে product বা পণ্য কিনতে পছন্দ করে থাকি।

এই অনলাইন থেকে বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে product কেনার পদ্ধতিকেই E-commerce বলা হয়।

ই কমার্স এর মাধ্যমে বিক্রেতা অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করে পণ্য ডেলিভারি সার্ভিস (কুরিয়ার সার্ভিস) এর মাধ্যমে ক্রেতার নিকট পাঠিয়ে দেন।

এর বিল পরিশোধ করা হয়ে থাকে অনলাইনের মাধ্যমে কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে।

যেহেতু লোকেরা অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য কিনতে অনেক রুচি রাখে এবং সেই সাথে বর্তমান সময়ে যেকোন লোকাল ব্যবসার উপর করোনা ভাইরাসের প্রভাব অবশ্যই রয়েছে।

যার ফলে লোকেরা তেমন ঘরের বাইরে যাচ্ছেন না এবং তারা ঘরে বসে পণ্য কিনতে ভালো সুবিধা পাচ্ছেন।

তাই এই ই কমার্স ব্যবসা শুরু করা জন্য অনেক profitable হতে পারে।

একটি E-commerce ওয়েবসাইট বানাতে হবে।

ওয়েবসাইটে product এর review ভালো করে লিখতে হবে।

product এর মার্কেটিং ভালোভাবে করতে হবে যাতে মানুষ আপনার ই কমার্স ব্যাপারে জানতে পারে। এজন্য আপনি Digital Marketing, Social Media Marketing, Email Marketing ভালোভাবে করতে পারেন।

আর এতে অনেক পরিমাণে মানুষ আপনার product এর বিষয়ে জানবে এবং কিনবে। ই কমার্স ব্যবসায় আপনি অনলাইনের মাধ্যমে মার্কেটিং করে টার্গেটেড অডিয়েন্সদের কাছে আপনার ব্যবসা অবশ্যই পৌছাতে পারবেন।

যদি এই ব্যবসাতে আপনি সফল হতে পারেন তাহলে এটা আপনার জন্য অনেক profitable হিসেবে প্রমাণিত হবে। আর তাছাড়া বর্তমানে তেমন বেশি ই কমার্স স্টোর নেই, তাই এক্ষেত্রে compitition অনেক কম পরিমাণে রয়েছে।

তাই সঠিক পরিকল্পন নিয়ে শুরু করলে সফল হওয়ার সুযোগ প্রচুর থাকছে।

#২. Fashion House

Fashion House আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে উপলব্ধ রয়েছে। এটি হলো একটি ছোট ব্যবসা যেখানে আপনি বিভিন্ন ডিজাইনের ভালো কোয়ালিটির কাপড় বিক্রি করতে পারেন।

বর্তমানে যারা এই ব্যবসাটি করছেন তারা অনেক লাভবান হচ্ছেন। বাংলাদেশ হলো একটি গার্মেন্টস exporter country. তাই এই ব্যবসাটি আপনার সামনে অবশ্যই একটি ভালো ব্যবসা হিসেবে রয়েছে।

এখানে আপনাকে তেমন বেশি পরিমাণে টাকা invest করতে হবে না। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনি এই ব্যবসা করতে পারেন।

কেবল একটি Facebook business page খুলে Social media marketing এর মাধ্যমে product বিক্রি করতে পারবেন।

#৩. Open a Small Coffee Shop

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক মানুষ কফি খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে শহরে এবং গ্রামেও এর চাহিদা রয়েছে। তবে গ্রামের তুলনায় শহরে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

অনেক ধরনের কফি রয়েছে। যদি আপনি এগুলো ভালোভাবে বানাতে পারেন তাহলে অনেক কাস্টমারদের আপনি সহজেই পেয়ে যেতে পারবেন।

একটি কফি শপের জন্য ভালো একটি জায়গা (location) গুরুত্বপূর্ণ। যদি ভালো একটি জায়গা খুজে নিতে পারেন যেখানে মানুষদের কফি খাওয়ার চাহিদা রয়েছে, তাহলে ভালো পরিমাণে কাস্টমার পেয়ে যেতে পারবেন।

#৪. Gift Shop

আপনি ব্যবসা হিসেবে একটি Gift Shop খুলতে পারেন। আপনারা অবশ্যই জানেন যে, লোকেরা তাদের প্রিয়জনদের যেকোন জিনিস গিফট হিসেবে দিতে পছন্দ করেন।

এই গিফটগুলো সুন্দর গিফট বক্সে মোড়ানো থাকে। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে কিংবা এমনিতেও অনেকে তাদের বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন বা প্রিয়জনদের গিফট দেন।

এই গিফটগুলো সাধারণত সাধারণত পারসোনাল হয়ে থাকে। একটি পারসোনাল গিফট বিভিন্ন সুন্দর স্টাইলে এবং সুন্দর রংয়ের সাহায্যে তৈরি করা হয়ে থাকে।

যেখানে অনেক সময় ব্যক্তির নামও লিখে দেওয়া হয়।

এই ধরনের গিফটের অর্ডার কাস্টমারের কাছে থেকে গ্রহণ করে যদি আপনি সেটি সুন্দর করে কাস্টমারের দেওয়া নির্দেশনা মতো ভালো করে প্রস্তুত করতে পারেন। তারপর সেটা কাস্টমারকে ডেলিভারি দিয়ে প্রচুর টাকা নিতে পারবেন।

এই কাজের জন্য আপনাকে টেকনোলোজি ব্যবহার করতে হবে। এই ব্যবসাতে আপনাকে তেমন বেশি পরিমানে invest করতে হবে না।

যদি আপনার ইনভেস্ট এর পরিমাণ একেবারেই কম তাহলে আপনি এটি বারিতে বসে করতে পারেন এবং অনালাইনের মাধ্যমে বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করে মুনাফা লাভ করতে পারেন।

#৫. Open a Book Shop

আপনি যদি নিজের জন্য একটি স্মার্ট ব্যবসা আইডিয়া খুজছেন তাহলে বইয়ের দোকান আপনার জন্য সেরা প্রোমাণিত হতে পারে।

এই ব্যবসাটি আপনি অতি সহজেই শুরু করতে পারেন এবং এখানে তেমন ইনভেস্ট আপনাকে করতে হবে না।

অনেক ধরণের বই রয়েছে তার মধ্যে আপনি একটি ক্যাটাগরির বই সিলেক্ট করতে পারেন এবং সেগুলো বিক্রি করতে পারেন।

আপনি কেবল একটি ফেসবুক পেজ খুলেই তার মাধ্যমে বিজনেস চালিয়ে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার ফেসবুক পেজ প্রমোট করতে হবে। যাতে মানুষ আপনার অনলাইন বুক শপের বিষয়ে জানতে পারে।

দেখুন rokomari.com একটি অনলাইন বুক শপ হিসেবে চলে আসছে এবং তারা কিন্তু খুবেই ভালো করছে।

#৬. Youtube as a Business

আপনি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখান থেকে অনেক ভালো কিছু অবশ্যই করতে পারেন। বাংলাদেশের অনেক ইউটিউবার আছেন যারা কেবল ইউটিউব চ্যানেল থেকে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন।

এখানে আপনি ভিডিও আপলোড করে তাতে বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু আপনাকে হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন ভিডিও অবশ্যই বানাতে জানতে হবে।

মনে রাখবেন, ইউটিউব প্লাটফর্মে যদি আপনি মন দিয়ে কাজ করতে থাকেন, তাহলে আপনিও একদিন ইউটিউব থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল গ্রো হতে শুরু করে তাহলে আপনি আরও অনেক ভাবে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যেমন, স্পন্সরশীপ এর মাধ্যমে এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আর ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আপনার নিজের product বা service সেল করে আয় করতে পারবেন।

তাই আমি বলবো একবার ইউটিউবে সফল হতে পারলে আপনার আর কোন চাকরির প্রয়োজন হবে না। ঘরে বসে অনেক ভালো পরিমাণে টাকা আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

#৭. Blogging Business

আমি একজন ব্লগার হিসেবে আপনাদের ব্লগিং করার পরামর্শ অবশ্যই আমি দিবো। ব্লগিং এর মাধ্যমেও আপনি ইউটিউবের মত করে ঘরে বসে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কিন্তু এই দুটি কাজের ক্ষেত্রে আপনার ধৈর্য অবশ্যই থাকতে হবে। আপনি অনেক সহজেই একটা ব্লগ তৈরি করে সেখানে আর্টিকেল লিখতে পারেন।

আর্টিকেল অবশ্যই ভালো কোয়ালিটির হতে হবে এবং কিওয়ার্ড রিসার্স করে এসইও ফ্রেন্ডলি হতে হবে। তারপর যখন গুগল সার্চ থেকে আপনার ব্লগে ট্রাফিক আসতে শুরু করবে তখন ব্লগে গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

দেখুন আমি প্রায় কিছুদিন আমার এই ব্লগটি শুরু আজ কিছু পরিমাণে টাকা আমি ইনকাম করছি। আর এর পরিমাণ দিন দিন বারতেই থাকবে।

#৮. T-shirt Business

বন্ধুরা, বর্তমানে কিন্তু টি শার্ট মানুষের কাছে অনেক জনপ্রিয়। বিশেষ করে তরুণদের থেকে শুরু করে যুবক এবং প্রাপ্তবয়ষ্কদের কাছে এটি অনেক পছন্দ।

তাই আপনি যদি টি শার্ট আকর্ষণীয় এবং ইউনিকভাবে ডিজাইন করতে পারেন তাহলে এই ব্যবসায় লাভ কিন্তু অবশ্যই রয়েছে।

আর এই ব্যবসাতে আপনাকে ইনভেস্ট কম করতে হবে। অনেকেই আছেন যারা অনেক কম টাকা ইনভেস্ট করে আজ তাদের ব্রান্ডকে ফেমাস করে তুলেছেন।

তাই এটি একটি লাভজনক ব্যবসা আপনার সামনে রয়েছে।

#৯. Mobile Preparing / Servicing Business

বর্তমানে প্রায় সকলেরেই হাতে হাতে একটি করে মোবাইল বা স্মার্টফোন রয়েছে।

সেই সাথে প্রতিদিন মানুষ অনেকগুলো নতুন মোবাইল বাজার থেকে কিনছেন। সেই মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই আপনি যদি মোবাইল রিপেয়ারিং এর ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে এটাতে প্রতিদিন প্রচুর টাকা আপনি ইনকাম করে নিতে পারবেন।

এই ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথমে আপনাকে মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ শিখে নিতে হবে। এর জন্য আপনি mobile repairing course করতে পারেন।

যখন আপনি সব কাজ সিখে যাবেন তখন একটি দোকান বানিয়ে সেখানে আপনি এই ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন। ভালো কাস্টমার পেলে আপনি মাসে ১০০০ – ১৫০০০ টাকা আপনি এমনিতেই ইনকাম করে নিতে পারবেন।

#১০. Laptop / Computer Repairing Business

কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর ব্যবসাতেও প্রচুর লাভ রয়েছে। তাই আপনি যদি কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর কাজ শুরু করতে চান তাহলে এজন্য আপনাকে প্রথমে ভালো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

কমপক্ষে ৩-৪ মাস কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর কাজগুলো ভালো করে শিখে নিতে হবে। এরপর যখন কোর্স পুরোপুরি কম্পলিট হয়ে যাবে তখন আপনি একটি দোকান দিয়ে সেখানে কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর কাজ করে ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যেহেতু বর্তমানে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের ব্যবহার প্রচুর রয়েছে এবং দিন দিন আরও বাড়ছে তাই এই ব্যবসাতে প্রচুর লাভ আপনার হবে। এই কাজগুলো বিশেষ করে যুবক বয়সিদের জন্য অনেক কাজের।

#১১. Cosmetic Shop

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রসারের ফলে কসমেটিকস বিজনেস অনেক সহজে করা যায়। আর আপনি যদি লোকালি একটি কসমেটিক দোকান তৈরি করতে পারেন তাহলে তো আরও অনেক ভালো।

তবে এক্ষেত্রে একটি ভালো জায়গা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আপনি বিশেষ করে মেয়েদের বিভিন্ন কসমেটিকস সামগ্রী বিক্রি করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তাই এটি আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা হয়ে দাড়াবে যদি ভালো জায়গা বেছে দোকান খুলতে পারেন এবং ভালো চাহিদা থাকা থাকা প্রডাক্ট তুলতে পারেন। এই ব্যবসাতে আপনকে তেমন ইনভেস্ট করতে হবে না।

যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিজনেস করতে চান তাহলে সহজেই একটি ফেসবুক পেজ খুলে এর মাধ্যমে প্রডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন। এই ব্যবসাতে প্রচুর লাভ রয়েছে।

#১২. Mobile Banking Agent

মোবাইল ব্যাংকিং বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয়। প্রয় সকল মানুষ বিকাশ, রকেট, নগদ ব্যবহার করে টাকা লেনদেন করে থাকে।

আর এটি কেবল শহরেই নয় গ্রামেও এর জনপ্রিয়তা অনেক রয়েছে। আপনি অনেক সহজেই মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের দোকান দিতে পারবেন এবং প্রফিট অর্জন করতে পারবেন।

সেই সাথে সকল অপারেটরে ফ্লেক্সিলোড এবং সিম কার্ড বিক্রি করে সহজেই অনেক প্রফিট আপনি পাবেন। এজন্য আপনাকে এক লাখ টাকার মত ইনভেস্টমেন্ট এর প্রয়োজন হবে।

যদি আপনি মোবাইল ব্যাংকিং এর বিষয়ে যথাযথ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তাহলেই এটি আপনার জন্য সহজ হবে।

আমার শেষ কথা

বন্ধুরা, আমি আপনাদের ২০ টি সেরা বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়ার বিষয়ে বললাম। এগুলো সত্যি অনেক লাভজনক। এই বিজনেস গুলো করতে তেমন ইনভেস্টমেন্ট এর প্রয়োজন হয় না।

এগুলো ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসা আইডিয়া রয়েছে যেগুলো আপনি ভেবে নিতে পারেন।

যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে নিচে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Leave a Comment