হ্যান্ডবল খেলার আইনকানুন, নিয়ম, মাঠের পরিমাপ ইত্যাদি বিষয়ে সবকিছু জানুন

বিশেষজ্ঞদের মতে , হ্যান্ডবল খেলার উৎপত্তি হয়েছে জার্মানিতে ১৮৯০ সালে । ১৯৪৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল হ্যান্ডবল ফেডারেশন ( IHF ) গঠিত হয় । ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে পুরুষ এবং ১৯৭৬ সালে মন্ট্রিল অলিম্পিকে মহিলা হ্যান্ডবল প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয় । এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশন ( AHF ) গঠিত হয় ১৯৭৪ সালে । হ্যান্ডবল খেলা ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয় । ১৯৮৫ সালে নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন ( BHF ) গঠন করা হয় । বর্তমানে এই খেলা বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ।
আইনকানুন :
১ , হ্যান্ডবল মাঠের দৈর্ঘ্য ৪০ মি এবং প্রথ । ২০ মি । দৈর্ঘ্যের লাইনকে সাইড লাইন বা পার্শ্বরেখা এবং প্রস্থের লাইনকে প্রান্তরেখা বা গােললাইন বলে । অভয় পেল বা TGE গ্যলয় গলা কালি ( গল এরিয়া বাঁশ শেকল দিয়ে এমন এখাইন
২. প্রতিটি গােলপােস্ট দৈর্ঘ্যে ৩ মিটার । উচ্চতা ভূমি হতে ক্রসবারের নিচ পর্যন্ত ২ মিটার ।
৩. গােলপােস্টের সম্মুখ বরাবর মাঠের দিকে ৬ মিটার দূরে গােললাইনের সমান্তরাল ৩ মিটার লম্বা একটি লাইন টানতে হবে । গােলপােস্টের কোণা থেকে ৬ মিটার ব্যাসার্ধের দুটি বৃত্তচাপ অঙ্কন করে গোল লাইনের সাথে যুক্ত করলে গােলসীমা তৈরি হবে । অঙ্কিত লাইনটিকে গােল এরিয়া লাইন বলে । মাঠের সকল দাগ খেলার মাঠের অংশ বলে বিবেচিত হবে ।
৪. ফ্রি থ্রো লাইন লম্বা দাগ দিয়ে ( —- ) টাকা টাকা করে অঙ্কন করতে হবে । লাইনটি গােল এরিয়া লাইনের সমান্তরালে ৩ মিটার বাইরে হবে ।
৫. প্রতিটি গােললাইনের পিছনের অংশের ঠিক মধ্যবিন্দু হতে মাঠের দিকে ৭ মিটার দূরে গোললাইনের সমান্তরালে ১ মিটার লম্বা একটি সেভেন মিটার লাইন ( পেনাল্টি থ্রো লাইন ) টানতে হবে ।
৬. প্রতিটি গােললাইনের পিছনের অংশের ঠিক মধ্যবিন্দু হতে মাঠের দিকে ৪ মিটার দূরে গােললাইনের সমান্তরালে একটি গােলরক্ষক সীমা লাইন টানতে হবে । ৭. মাঠের দুই পার্শ্বরেখা থেকে পরস্পর যুক্ত করে মধ্যরেখা টানতে হবে । উভয় দিকে বদলি লাইন থাকবে । দলের সুবিধার্থে মাঠের খেলােয়াড়রা বদলি লাইনে বসে থাকবে ।
৮. খেলার সময়সীমা হবে ২৫ মিনিট + ১০ মিনিট ( বিরতি ) + ২৫ মিনিট ।
৯ . নির্ধারিত সময়ে খেলা অমীমাংসিত থাকলে অতিরিক্ত ৫ মিনিট করে অর্থাৎ ৫ মিনিট + ১ মিনিট ( বিরতি ) + ৫ মিনিট খেলা হবে । এরপরও যদি ড্র থাকে , তাহলে আবার ৫ মিনিট + ১ মিনিট ( বিরতি ) + ৫ মিনিট খেলা চলবে।
১০. প্রত্যেক দলে ১২ জন খেলােয়াড় থাকে । মাঠে খেলতে নামে ৭ জন । কমপক্ষে ৫ জন খেলােয়াড় না হলে খেলা হয় না ।
১১. খেলা আরচ্ছের সময় বা গােল হওয়ার পর বা বিরতির পর থ্রো অফের মাধ্যমে খেলা শুরু হবে ।
১২. খেলা পরিচালনার জন্য ২ জন রেফারি , ১ জন স্কোরার ও ১ জন সময়রক্ষক থাকবেন ।
১৩. খেলােয়াড়রা বাহু , মাথা , দেহ , উরু ও হাঁটু দিয়ে বলকে ধরতে , থামাতে বা আঘাত করতে পারবে । বল ৩ সেকেন্ডের বেশি ধরে রাখতে বা ৩ পদক্ষেপের বেশি এগুতে পারবে না । হাঁটুর নিচের অংশ দিয়ে বল পর্শ করলে শাস্তিস্বরূপ বিপক্ষ দল ফ্রি থ্রো পাবে ।
১৪. গােলরক্ষকের হাতে বল লেগে বা গােললাইন দিয়ে বল মাঠের বাইরে গেলে কর্ণার থ্রে – এর মাধ্যমে খেলা শুরু করতে হবে।
১৫. বিপক্ষ দলকে ফ্রি থ্রো দেওয়া হবে:
i.  গােলরক্ষক নিয়মভঙ্গ করলে ।
ii.  ত্রুটিপূর্ণভাবেখেলােয়াড় বদলি করলে।
iii. মাঠের খেলোয়াড় গােলসীমা আইন ভঙ্গ করলে।
iv. প্রতিপক্ষের প্রতি অবৈধ আচরণ করলে।

Leave a Comment