ফুলের ছবি / পিকচার | সুন্দর সুন্দর ফুলের ছবি ডাউনলোড

বন্ধুরা, এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সুন্দর সুন্দর ফুলের ছবি উপহার দিবো। এখানে আমি আপনাদের কিছু সেরা ফুলের ছবি বা সুন্দর ফুলের পিকচার আপনাদের দিবো যেগুলো আপনারা ফ্রিতেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আপনি যদি সেরা ফুলের ছবি বা পিকচার খুজছেন তাহলে আপনি আমার এই আর্টিকেলের মাধ্যমে সুন্দর সুন্দর ফুলের ছবি পেয়ে যাবেন। এই ফুলগুলো দেখতে অনেক সুন্দর।

আমরা যদি অনেক সময় ডিপ্রেশনে থাকি তাহলে সুন্দর ফুলের ছবি গুলো দেখলে আমাদের মন ভালো হয়ে যায়।

তাছাড়া আপনার যদি সোশ্যাল মিডিয়াতে ফুলের ছবির প্রয়োজন হয়ে থাকে তাহলে আপনি এই পিকচারগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন।

এই আর্টিকেলে আমি সুন্দর গোলাপ ফুলের ছবি বা কিছু সেরা গোলাপ ফুলের পিকচার, ডালিয়া ও রজনীগন্ধা ফুলের ছবি শেয়ার করবো।

গোলাপ ফুলের ছবি

গোলাপ ফুলের ইংরেজি নাম হলো Rose. গোলাপ পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ফুল। এটি সকলের কাছে অনেক জনপ্রিয়।

গোলাপ ফুল সৌন্দর্য্য ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। গোলাপকে ফুলের রানি বলা হয়।

নিচে গোলাপ ফুলের সেরা কেছু পিকচার দেওয়া হলো।

সুন্দর গোলাপ ফুলের ছবি / পিকচার | ১০+ সেরা গোলাপ ফুলের ছবি

গোলাপ ফুলের ছবি

সাদা গোলাপ ফুলের ছবি

গোলাপ ফুলের পিকচার

গোলাপ ফুলের ওয়ালপেপার

লাল গোলাপ

 

ডালিয়া ফুলের ছবি

Also Read,

Advantages and Disadvantages of Internet

The Internet has become the controlling force in the life of the modern man. It means a global computer network. It consists of interconnected networks using standardized communication protocols.

The importance of internet is huge. It provides us with a variety of information and communication facilities. We can communicate with the people of other parts of the world. Besides, social networking, information collection, job application, reading newspapers or books, online education and so on can be done with the help of internet. Even we can shop online. However, it has some demerits too. Nowadays, especially the teenagers keep chatting and wasting their time with their friends or even unknown persons. They are getting introduced to harmful websites that affect their tender mind.

Unfortunately, the situation of the students is more serious. They spend a lot of time on internet and harm their study. So, they cannot do well in the exams.

Therefore, young people should use the internet effectivelyand cautiously to collect information and gain knowledge about useful things or read books.

একুশের প্রভাতফেরি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভােরবেলা ভাষাশহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের উদ্দেশ্যে খালি পায়ে যাত্রা করার বিশেষ পর্বই একুশের প্রভাতফেরি নামে পরিচিত । ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’- এই দাবিতে ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে যােগ দেয় । পুলিশের গুলিতে নিহত হন রফিক , জব্বার , বরকত , সালামসহ আরও অনেকে । ভাষার জন্য , বর্ণমালার জন্য আত্মােৎসর্গকারী শহিদদের প্রতি অসীম ভালােবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি আমরা খুব ভােরে ঘুম থেকে উঠি । বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে বা ব্যক্তিগতভাবে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহিদদের সম্মান জানাই ।

ধীর পায়ে গভীর শ্রদ্ধা নিয়ে শহিদ মিনারের দিকে হেঁটে চলে মানুষের ঢল । এসময় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানাে একুশে ফেব্রুয়ারি , আমি কি ভুলিতে পারি ? ‘ গানটি ধ্বনিত হয় মানুষের মুখে ।

শহিদ মিনারের পাদদেশে গিয়ে ফুল দিয়ে শহিদদের শ্রদ্ধা জানানাে হয় । আমাদের জাতীয় জীবনে প্রভাতফেরির গুরুত্ব অনেক । কেননা , বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে । প্রভাতফেরির মূল উদ্দেশ্যই হলাে , ১৯৫২ সালের ভাষাশহিদদের প্রতি ভালােবাসা , সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন । 

পদ্মা সেতু

বিশ্বের উত্তাল নদীগুলাের মধ্যে পদ্মা অন্যতম । পানিপ্রবাহের দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজানের বৃহত্তম নদী পদ্ম । এ ধরনের খরস্রোতা নদীতে এর আগে সেতু নির্মাণ হয়নি । এই সেতু স্বাধীনতা – উত্তর বাংলাদেশে সবচেয়ে বড়াে প্রকল্প । বাংলাদেশের পক্ষে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতাে একটি স্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া তাই সাহসী কাজ । নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে পদ্মা সেতু বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে মর্যাদা পাবে । 

স্বাধীনতা – উত্তর বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পদ্মাসেতু । তাই এই সেতুর সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে ১৯৯৮ সালে প্রথম সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় । কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতায় আটকে যায় এর কাজ । নদীর তলদেশে ব্রিজের যে কাজ হবে , সেখানে পদ্মার পানিপ্রবাহ আমাজান নদীর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ । এই পানিপ্রবাহের মধ্যেই নির্মিত হচ্ছে পদ্মা সেতু । নদীর যে জায়গায় সেতুটি নির্মিত হবে , সেখানে নদী প্রায় ৬ কিলােমিটার প্রশস্ত । ২০০৪ সালে এ সেতুর ওপর বিস্তারিত সমীক্ষা শেষ হয় । তখন জাপানি প্রতিষ্ঠান জাইকা ছিল এর পরামর্শক । তারা মাওয়া – জাজিরা পয়েন্টে সেতু নির্মাণের পরামর্শ দেয় । পরবর্তীতে ২০০৭ সালে একনেক ১০ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প অনুমােদন করে । ২০০৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু হয় । ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় প্রকল্পটি পাস হয় । ২০১১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাংকের বাের্ড সভায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তার অনুমােদন দেওয়া হয় । বিশাল এই সেতু প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকসহ চারটি উন্নয়ন সাহায্য সংস্থা সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয় ।

বিশ্বব্যাংকের বাের্ড সভায় ঋণ প্রস্তাব অনুমােদনের পর অন্য সংস্থাগুলাের সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরেও তেমন বিলম্ব হয়নি । কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ৩০ জুন দুর্নীতির অভিযােগে ঋণচুক্তিটি বাতিলের ঘােষণা দেয় বিশ্বব্যাংক । বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণে আর অর্থায়ন করবে না , এমন ঘােষণা দিলে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাড়িয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করার ঘােষণা দেন । এ লক্ষ্যে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প পাস করে ।

২০১১ সালে সংশােধিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা । সর্বশেষ ২০১৬ সালে পদ্মা সেতু নির্মাণের ব্যয় সংশােধন করে নির্ধারণ করা হয় ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা ।

মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৬ দশমিক ১৫ কিলােমিটার এবং প্রস্থ হবে ২১ দশমিক ১০ মিটার । এই সেতুটি হবে দ্বিতল , ওপর দিয়ে চলবে সাধারণ যানবাহন এবং নিচে চলবে ট্রেন । সেতুটি নির্মিত হবে কংক্রিট এবং স্টিল দিয়ে । সেতুর দুই পাশে ১২ কিলােমিটার সংযােগ সড়ক নির্মিত হবে । মূল সেতুর পিলার হবে ৪২ টি । এর মধ্যে নদীর ভেতরে ৪০ টি ও নদীর দুই পাশে দুইটি পিলার থাকবে । নদীর ভেতরের ৪০ টি পিলারে ছয়টি করে মােট ২৪০ টি পাইল থাকবে । এছাড়া সংযােগ সেতুর দুই পাশের দুইটি পিলারে ১২ টি করে মােট ২৪ টি পাইল থাকবে । পিলারের ওপর ৪১ টি স্প্যান বসানাে হবে । সােনালি রং সূর্যের তাপ কম শােষণ করে বলে পদ্মা সেতুর রং হবে সােনালি । মূল সেতুর কাজ পেয়েছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড । এই সেতুটির স্থায়িত্ব হবে ১০০ বছর ।

Tag: সুন্দর ফুলের ছবি

Leave a Comment