কম্পিউটার ভাইরাস কি ? (Computer Virus)

এই আর্টিকেলের আমি বর্ণনা করব কম্পিউটার ভাইরাস কি এবং এন্টিভাইরাস কি এই সম্পর্কে।

কম্পিউটার ভাইরাস হলাে এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা পুনরুৎপাদনে সক্ষম এবং এক কমিপউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারেে।

কম্পিউটার ভাইরাস কি
Whai is Computer Virus ?

কম্পিউটার ভাইরাস কি ?

অনেকে ভুলভাবে ভাইরাস বলতে সব ধরনের ম্যালওয়্যারকে বুঝিয়ে থাকে। যদিও অন্যান্য ম্যালওয়্যারের যেমন পাইওয়্যার বা এডওয়্যারের পুনরুৎপাদন ক্ষমতা নেই ।

কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারের কি কি ক্ষতি করে ?

কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটার সিস্টেমের নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে ।

এর মধ্যে দৃশ্যমান ক্ষতি,

যেমন কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া , হ্যাং হয়ে যাওয়া , ঘন ঘন রিবুট (Reboot) হওয়া ইত্যাদি ।

তবে , বেশিরভাগ ভাইরাসই ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সিস্টেমের ক্ষতি করে থাকে ।

কিছু কিছু ভাইরাস সিস্টেমের ক্ষতি করে না , কেবল ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ।

সিআইএইচ (CIH) নামে একটি সাড়াজাগানাে ভাইরাস প্রতিবছর ২৬ এপ্রিল সক্রিয় হয়ে কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ফরম্যাট করে ফেলতাে । বর্তমানে এটি নিস্ক্রিয় রয়েছে।

কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস

কম্পিউটার ভাইরাস প্রােগ্রাম লেখার অনেক আগে ১৯৪৯ সালে কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ভন নিউম্যান এ বিষয়ে আলােকপাত করেন । তার স্ব – পুনরুৎপাদিত প্রােগ্রামের ধারণা থেকে ভাইরাস প্রােগ্রামের (তখন সেটিকে ভাইরাস বলা হতো না) আবির্ভাব ।

পুনরুৎপাদনশীলতার জন্য এই ধরনের কম্পিউটার প্রােগ্রামকে ভাইরাস হিসেবে প্রথম সম্বােধন করেন আমেরিকার কমিপউটার বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক বি কোহেন।

জীবজগতে ভাইরাস পােষক দেহে নিজেই পুনরুৎপাদিত হতে পারে । ভাইরাস প্রােগ্রামও নিজের কপি তৈরি করতে পারে।

সত্তর দশকেই ইন্টারনেটের আদি অবস্থা , আরপানেট (ARPANET) – এ ক্লিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয় ।

সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয় , যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত।

সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতাে সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত ।

১৯৮২ সালে এক ক্লোনার (ELK CLONER) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে ।

তবে , ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে , ১৯৮৬ সালে ।

পাকিস্তানি দুই ভাই লাহােরে এই ভাইরাস সফটওয়্যারটি তৈরি করেন । এর পর থেকে প্রতিবছরই সারাবিশে অসংখ্য ভাইরাসের সৃষ্টি হয় ।

বিশ্বের ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযােগ্য হলাে-

ভিয়েনা , জেরুজালেম , পিংপং , মাইকেল এঞ্জেলাে , ডার্ক এভেঞ্জার , সিআইএইচ (চেরনােবিল) , অ্যানাকুর্নিকোভা , কোড রেড ওয়ার্ম , নিম , ডাপরােসি ওয়ার্ম ইত্যাদি ।

কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে?

পুনরুৎপাদনের জন্য যেকোনাে প্রােগ্রামকে অবশ্যই তার কোড চালাতে (execute) এবং মেমােরিতে লিখতে সক্ষম হতে হয় ।

যেহেতু , কেউ জেনে শুনে কোনাে ভাইরাস প্রােগ্রাম চালাবে না , সেহেতু ভাইরাস তার উদ্দেশ্য পূরণে একটি সহজ পদ্ধতি বেছে নেয় ।

যে সকল প্রােগ্রাম ব্যবহারকারী নিয়মিত চালিয়ে থাকেন (যেমন লেখালেখির সফটওয়্যার) সেগুলাের কার্যকরী ফাইলের পেছনে ভাইরাসটি নিজের কোডটি ঢুকিয়ে দেয় ।

যখন কোনাে ব্যবহারকারী ওই কার্যকরী ফাইলটি চালায়, তখন ভাইরাস প্রােগ্রামটিও সক্রিয় হয়ে উঠে ।

কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকারভেদ:

কাজের ধরনের ভিত্তিতে ভাইরাসকে দুইভাগে ভাগ করা হয় ।

কোনাে কোনাে ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠার পর , অন্যান্য কোন কোন প্রােগ্রামকে সংক্রমণ করা যায় সেটি খুঁজে বের করে । তারপর সেগুলােকে সংক্রমণ করে এবং পরিশেষে মূল প্রােগ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ দিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় ।

এগুলােকে বলা হয় অনিবাসী ভাইরাস ( Non – Resident Virus ) ।

অন্যদিকে,

কোনাে কোনাে ভাইরাস সক্রিয় হওয়ার পর মেমােরিতে স্থায়ী হয়ে বসে থাকে । যখনই অন্য কোনাে প্রােগ্রাম চালু হয় , তখনই সেটি সেই প্রােগ্রামকে সংক্রমিত করে ।

এ ধরনের ভাইরাসকে বলা হয় নিবাসী ভাইরাস (Resident Virus) ।

ম্যালওয়্যার থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায়

বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রােগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস , ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় ।

এগুলােকে বলা হয় এন্টি – ভাইরাস বা এন্টি – ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ।

বেশিরভাগ এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি – ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত । বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল এন্টি – ভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস ভিন্ন অন্যান্য ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী ।

সকল ভাইরাস প্রােগামের কিছু সুনির্দিষ্ট ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে । এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এই সকল প্যাটার্নের একটি তালিকা সংরক্ষণ করে ।

সাধারণত গবেষণা করে এই তালিকা তৈরি করা হয় । যখন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারকে কাজ করতে দেওয়া হয় , তখন সেটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইলে বিশেষ নকশা খুঁজে বের করে এবং তা তার নিজষ তালিকার সঙ্গে তুলনা করে ।

যদি এটি মিলে যায় তাহলে এটিকে ভাইরাস হিসাবে শনাক্ত করে ।

যেহেতু বেশিরভাগ ভাইরাস কেবল কার্যকরী ফাইলকে সংক্রমিত করে , কাজেই সেগুলােকে পরীক্ষা করেই অনেকখানি আগানাে যায় ।

তবে , এ পদ্ধতির একট বড় ত্রুটি হলাে তালিকাটি নিয়মিত হালনাগাদ না হলে ভাইরাস শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে । সেজন্য অনেক এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারের সকল প্রােগ্রামের আচরণ পরীক্ষা করে ভাইরাস শনাক্ত করার চেষ্টা করে । এতে সমস্যা হলাে যে সফটওয়্যার সম্পর্কে এন্টি – ভাইরাস সফটওয়্যারটি আগে থেকে জানে না ,

সেটিকে ভাইরাস হিসাবে চিহ্নিত করে , যা ক্ষতিকর ।

এ কারণে বিশ্বের জনপ্রিয় এন্টি – ভাইরাস সফটওয়্যারগুলাে প্রথম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে ।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:

নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি।

Also Read

কম্পিউটার ভাইরাস এবং এন্টিভাইরাস কি ?

কম্পিউটার ভাইরাস বিষয়ে আমরা অনেক কিছুই ইতােমধ্যে জেনে ফেলেছি । তবু আমাদের আইসিটি যন্ত্রের নিরাপত্তার কথাটি মাথায় রেখে এ বিষয়ে আরও জানা প্রয়ােজন।

প্রাণীদেহে ভাইরাস আক্ৰমণের মতােই এ ভাইরাসগুলাে আমাদের আইসিটি যন্ত্রের ক্ষতি করে থাকে।

VIRUS শব্দের পূর্ণরুপ হলাে ‍Vital Information Resources Under Siege.

যার অর্থ দাঁড়ায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেওয়া বা ক্ষতি সাধন করা ।

১৯৮০ সালে এ নামকরণ করেছেন প্ৰৰ্যাত গবেষক ” University of New Haven’ এর অধ্যক ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen) ।

ভাইরাস হলাে এক ধরনের সফটওয়্যার যা তুঘ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে ।

ভাইরাস কদিউটারে প্রবেশ করলে সাধারণত সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে ও বিভিন্ন তথ্য – উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং এক পর্যায়ে গােটা কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয় ।

যেমন- বুট ভাইরাস ভিকের বুট সেক্টরকে আক্রমণ করে । অতি পরিচিত কিছু ভাইরাস হলাে স্টোন (Stone) , ভিয়েনা (Viennia) , সিআই এইচ (CIH) , ফোল্ডার (Folder) , Trojan Horse ইত্যাদি ।

কোনােভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে সংক্রমিত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে । সিজি , পেনড্রাইভ কিংবা অন্য যেকোনােভাবে ভাইরাসযুক্ত একটি ফাইল ভাইরাসমুক্ত কম্পিউটার বা কোনাে আইসিটি যন্ত্রে চালালে ফাইলের সংক্রমিত ভাইরাস কম্পিউটার বা যন্ত্রটির মেমােরিতে অবস্থান নেয় ।

কাজ শেষ করে ফাইল বন্ধ করলেও সংক্রমিত ভাইরাসটি মেমােরিতে রয়েই যায় ।

ফলে ভাইরাসমুক্ত কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে । একই অবস্থা ঘটে কোনাে ভাইরাস সংক্রমিত প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার চালালেও ।

এভাবে মেমােরিতে স্থান দখলকারী ভাইরাস পরবর্তীতে অন্যান্য প্রোগ্রাম এবং ফাইলকেও আক্রমণ করে । কোনাে কোনাে ভাইরাস তাৎক্ষণিকভাবে সকল প্রোগ্রাম ও ফাইলকে গ্রাস করে , আবার কোনাে কোনাে ভাইরাস শুধু নতুন প্রোগ্রাম ও ফাইলকেই আক্রান্ত করে ।

ফাইল ও প্রােগ্রামসমূহ গ্রাস করতে করতে ভাইরাস তার ইচ্ছামতাে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে সার্বিক ক্ষতিসাধন শুরু করে ।

এভাবে একটি ভাইরাসমুক্ত কম্পিউটার ধীরে ধীরে ভাইরাসে সংক্রমিত হয় এবং উক্ত সংক্রমিত কম্পিউটারে ব্যবহৃত সিডি , হার্ডডিস্ক , ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে ভাইরাসটি অন্যান্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।

কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ:

প্রোগ্রাম ও ফাইল Open করতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে ।

মেমােরি কম দেখাচ্ছে ফলে গতি কমে গেছে।

কৃউিটার চালু অবস্থায় চলমান কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কিছু প্রত্যাশিত বার্তা প্রদর্শিত হচ্ছে।

নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টলের ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগছে।

চলমান কাজের ফাইলগুলাে বেশি জায়গা দখল করছে।

যন্ত্র চালু করার সময় চালু হতে হতে বন্ধ বা শাট ডাউন হয়ে যাচ্ছে কিংবা কাজ করতে করতে হঠাৎ বুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে বা রিস্টার্ট হচ্ছে।

ফোল্ডারে বিদ্যমান ফাইলগুলাের নাম পরিবর্তন হয়ে গেছে ইত্যাদি ।

কম্পিউটার ভাইরাস সাধারণত যা যা ক্ষতি করতে পারে।

কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোনাে ফাইল মুছে দিতে পারে।

ডেটা বিকৃত ৰা Corrupt করে দিতে পারে।

কম্পিউটারে কাজ করার সময় আচমকা অবাঞ্চিত বার্তা প্রদর্শন করতে পারে।

কম্পিউটার মনিটরের ডিসপুেকে বিকৃত বা Corrupt করে দিতে পারে।

সিস্টেমের কাজকে ধীরগতি সম্পন্ন করে দিতে পারে , ইত্যাদি ।

এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমরা কী করতে পারি ?

এখানেই এন্টিভাইরাসের কথা এসে যায় । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে ।

এন্টিভাইরাস কি ?

কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের ভাইরাসের প্রতিষেধক হলাে এন্টিভাইরাস ।

সিস্টেম ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এটি নির্মূল করতে হয় । ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি ব্যবহার করা হয় । এই ইউটিলিটিগুলাে প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটাৱে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলাের মিলকরণ করে ।

অতঃপরইমেইল আদান – প্রদানে সতর্কতা অবলন করা । যেমন : সন্দেহজনক সাের্স থেকে আগত ই – মেইল ।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি তার পূর্বজ্ঞান ব্যবহার করে সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রােগ্রামকে ঠিক করে ।

একটি ভালাে এন্টিভাইরাস সাধারণভাবে প্রায় সব ধরনের ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।

নতুন ভাইরাস আবিষ্কৃত হওয়ার সাথে সাথে এন্টিভাইরাস Update করলে এর শক্তি ও কার্যক্ষমতা প্রতিনিয়ত উন্নত হয় । ফলে নতুন নতুন ভাইরাস ধ্বংস করতে পারে ।

বর্তমানে অনেক এন্টিভাইরাস রয়েছে যেগুলাে ভাইরাস চিহ্নিত করে , নির্মূল করে এবং প্রতিহত করে ।

আজকাল প্রায় প্রত্যেক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার দেওয়া থাকে ।

এছাড়াও এখনকার এন্টিভাইরাসগুলাে ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে । ফলে এগুলাে পূর্বের এন্টিভাইরাসের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর ।

এখানে একটি কথা অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে যে,

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবসময় হালনাগাদ (Update) রাখতে হবে । ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামূল্যে ইন্টারনেট থেকে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডাউনলােড এবং ইনস্টল করে আইসিটি যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা অনেকাংশ নিশ্চিত করা যায় ।

উল্লেখযােগ্য কিছু এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম হলাে

এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলােড ওয়েবসাইট http://www.avg.com

এভি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার (ডাউনলােড ওয়েবসাইট www.avira.com)

এভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (ডাউনলােড ওয়েবসাইট www.avast.com)

কম্পিউটার বা আমাদের আইসিটি যন্ত্রগুলােকে ভাইরাসমুক্ত রেখে ব্যবহার করতে আমরা নিচের পদ্ধতিগুলাে নুসরণ করতে পারি ।

অন্য যন্ত্রে ব্যবহৃত সিডি , পেনড্রাইভ , মেমােরি কার্ড ইত্যাদি নিজের যন্ত্রে ব্যবহারের পূর্বে ভাইরাস মুক্ত করে নেয়া । ( এন্টি ভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করে নেওয়া ) জন্য কম্পিউটার থেকে কপিকৃত সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ব্যবহারের আগে সফটওয়্যারটিকে অন্য যন্ত্রের কোনাে ফাইল নিজের যন্ত্রে ব্যবহারের পূর্বে ফাইলটিকে ভাইরাস মুক্ত করা ।

ইন্টারনেট থেকে কোনাে সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ডাউনলােড করে ইনস্টল করার সময়ে সতর্ক থাকা ।

কারণ , ডাউনলােডকৃত সফটওয়্যারে ভাইরাস থাকলে তা থেকে তােমার কম্পিউটারটিও ভাইরাস অন্যান্য কম্পিউটারে বা যন্ত্রে ব্যবহূত সফটওয়্যার কপি করে ব্যবহার না করা ।

কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করলে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদর্শন করার জন্য এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারটিকে হলনাগাদ করে রাখা প্রয়ােজন ।

প্রতিদিনের ব্যবহৃত তথ্য বা ফাইলসমূহ আলাদা কোনাে ডিস্ক বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা , তবে এক্ষেত্রে ডিক বা পেনড্রাইভটি অবশ্যই ভাইরাস মুক্ত হতে হবে । Open ফাইল ব্যবহারের আগে অবশ্যই ভাইরাস চেক করতে হবে।

“কম্পিউটার ভাইরাস” এই পোস্টটি অবশ্যই আপনার কাছে ভালো লেগেছে। পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Comment