অপারেটিং সিস্টেম কি ? (Lunux and Windows Operating System)

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি ভালো আছেন । টেক লাভারের সাথে থাকলে আপনি অবশ্যই ভালো থাকবেন । আপনারা ভালো থাকবেন এটাই আমাদের একান্ত কামনা । প্রতিদিনের মতো আজকেও একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব । আজকের বিষয় হচ্ছে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে ।
তো চলুন শুরু করি।
অপারেটিং সিস্টেম কে আমরা কতিপয় সফটওয়্যার প্রোগামের সমাহার বলতে পারি ।

অপারেটিং সিস্টেম কি ?
অপারেটিং শব্দটি এসেছে অপারেট (operate) থেকে । যার অর্থ পরিচালনা করা । অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিইটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে কম্পিউটারকে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে ।

এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম চালু করা , ফাইল সিস্টেম অপারেট করা , ইনপুট আউটপুট সিস্টেম নিয়ন্ত্রন , নিরাপত্তা নিশ্চিত করা , রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কাজ ।
এ পর্যন্ত অনেক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার আবিস্কৃত হয়েছে । যেমন : unix , linux , windows , mac os , sun solaris , xenix , tape operating system etc…..
আজকে শুধু লিনাক্স ও উইন্ডোজ সম্পর্কে আলোচনা করা হবে শুরুতেই লিনাক্স সম্পর্ক বলি ।
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের আবিস্কারক হচ্ছেন ফিনল্যান্ডের একজন যুবক লিনাস টারবোল্ডস । তিনি unix operating systen নিয়ে কাজ করার সময় লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন । এর source code উন্মুক্ত তাই যে কেউ এর সংস্করণ কিংবা সংযোযন করতে পারবে । এটি বিনামূল্যের অপারেটিং সিস্টেম । তবে এটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারেও পাওয়া যায় । এর দুটো ভার্শন বাজারে পাওয়া যায় । একটি বর্ণভিত্তিক অন্যটি চিত্রভিত্তিক । দিনে দিনে এর ব্যবাহার অকল্পনীয় হারে বেড়ে যাচ্ছে । অল্পকিছুদিনের মধ্যে এটি উইন্ডোজের চেয়ে বেশী জনপ্রিয় হবে । বাংলাদেশে দেশীয়ভাবে বাংলায় লিনাক্স ব্যবহারের পদ্ধতি আবিস্কৃত হয়েছে ।
এই অপারেটিং সিস্টেমের কয়েকটি সুবিধা নিচে তুলে ধরা হলো

  • লিনাক্সের কোনো মালিক নেই । তাই একে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলে । যে কেউ এর সংস্করণ করতে পারবে
  • লিনাক্সের ডকুমেন্টেশন বেশ সমৃদ্ধ । যা অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমের নেই । তাই লিনাক্সে পেরিফেরাল সংযোজনসহ যাবতীয় কাজ করার একটি আলাদা সুবিধা থাকে
  • উল্লেখ্য যে এই অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা সাধারণ পিসি দিয়ে সার্ভার পিসির কাজ করা যায়
  • উইন্ডোজের তুলনায় লিনাক্স বেশী secure

এবার আসি উইন্ডোজের কথায় । বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে উইন্ডোজ । উইন্ডোজের উদ্ভাবক হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ।সর্বপ্রথম ১৯৮৫ সালে উইন্ডোজের ভার্সন 1.0 বাজারে আসে ।
এ পর্যন্ত উন্ডোজের একাধিক ভার্সন বাজারে আসে । যেমন : v3.0 , v3.1 , v3.2 , v3.3 , windows 95 , windowr 98 , windows xp , ms windows , ms windows nt , windows vista , windows-7 , windows-8 , windows-10 etc…………
নিচে কিছু উইন্ডোজের ইতিহাস তুরে ধরা হলো ;

windows 95

: ১৯৯৫ সালের আগস্ট মাসে এই অপারেটিং সিস্টেম আবিস্কৃত হয়। ৩২ বিটের চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম এটি । চমৎকার গ্রফিক্স , নেটওয়ার্ক অনেক সুবিধা , ইন্টারনেট ব্যব আরের সুবিধা আছে এই অপারেটিং সিস্টেমে ।

windows 98

: এটি উইন্ডোজ 95 এর আপগ্রড ভার্সন । উইন্ডোজ 95 এর সবগুলো সুবিধা সহ আরো কিছু বৈশিষ্ট্য যোগ করা হয় ।

ms windows nt (new technology)

: ১৯৯৩ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তক এই উইন্ডোজটি বাজারে আসে । এটি আকারে অনেক বড় ছিল তাই এটি পারসোনাল কম্পিউটারে ব্যবহার করা যেত না । পরবর্তিতে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এটিকে সার্ভরে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন । তাই এর আলাদা নামকরণ করা হয় (windows 2000 server operating system)।

windows xp

: এটি উইন্ডোজের সর্বশেষ ভার্সনগুলোর একটি । new technology ব্যবহার করে এটা তৈরি করা হয়। উইন্ডোজ এক্সপিতে নতুন নতুন গ্রাফিক্স এবং রঙের ব্যবহার করা হয়েছে ।উইন্ডোজ এক্সপিতে (FAT 2) এবং (NTFS) ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে । এতে অনলাইনের মাধ্যমে আপগ্রেডের ব্যবস্থা আছে ।
windows xp এর পরে উইন্ডোজ ভিসতা , উইন্ডোজ 7 বাজারে আসে ।
বর্তমানের উইন্ডোজগুলো খুব উন্নত ।

আজকে এখানে শেষ করছি । ধন্যবাদ শেষ পর্যন্ত থাকার জন্য । আগামী দিন নতুন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করব । ততোদিন ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন । খোদা হাফেজ ।

Leave a Comment